সিলেটে গ্যাস পাইপ লাইনের ওপর অবৈধ ৪০ স্থাপনা উচ্ছেদ

newsup
  • আপডেট টাইম : November 04 2021, 05:59
  • 536 বার পঠিত
সিলেটে গ্যাস পাইপ লাইনের ওপর অবৈধ ৪০ স্থাপনা উচ্ছেদ

নিউজ ডেস্কঃ সিলেটে গ্যাস পাইপ লাইনের ওপর অবৈধ ৪০ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা উচ্চ চাপ বিশিষ্ট গ্যাস পাইপ লাইনের ওপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সিলেটে চতুর্থ দফায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত রোববার থেকে জালালাবাদ গ্যাসের এমডি প্রকৌশলী শোয়েব আহমদ মতিনের অনুরোধে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে জালালাবাদ গ্যাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। আজ সোমবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও জালালাবাদ গ্যাসের এমডি প্রকৌশলী শোয়েব আহমদ মতিন।

জানা যায়, তিন দিনের অভিযানে নগরীর আখালিয়া, নোয়াপাড়া, কালীবাড়ি, করেরপাড়া এলাকায় প্রায় ৪ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি দখলমুক্ত করা হয়। এ সময় সীমানার প্রাচীর, বাড়ি, দোকানসহ প্রায় ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এ এলাকায় অভিযানের আগে অনেকে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে ফেলেন।

জালালাবাদ গ্যাস সূত্রে জানা যায়, দেবপুর-কুমারগাঁও উচ্চ চাপ বিশিষ্ট ৪০০ কিলোমিটার গ্যাস পাইপ লাইনের পাশাপাশি আবাসিক এলাকায় জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত কয়েক শতক ভূমি রয়েছে। জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত ভূমির প্রায় ৩০ কিলোমিটার পাইপলাইনের ওপর অবৈধভাবে সীমানার প্রাচীর, বাড়ি, দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা ছিল। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের লক্ষ্যে গত ১৬ মার্চ, ২৬ আগস্ট ও ১৫ সেপ্টেম্বর তিন দফা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে প্রায় ২০ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়।

এ ব্যাপারে জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে বসতবাড়ি স্থাপিত উচ্ছেদ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ডিজিএম আমিরুল ইসলাম বলেন, গ্যাস নিরাপত্তা আইনে রয়েছে উচ্চ চাপ বিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইনের উভয় পাশে ন্যূনতম ১০ ফুট করে মোট ২০ ফুটের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা বিধিবহির্ভূত। এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আগামীতে দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অভিযান পরিচালিত হবে। আমাদের এ অভিযানে বছরখানেক সময় ধরে কয়েকবার তাঁদের নোটিশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি মৌখিকভাবে অবগত করা হলেও তাঁরা তা আমলে নেননি।

উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, ডিজিএম বিপ্লব বিশ্বাস, কমিটির সদস্য ব্যবস্থাপক চন্দন কুমার কুণ্ড, ব্যবস্থাপক ফজলুর হক, উপ-ব্যবস্থাপক মোনায়েম সরকার, সহকারী ব্যবস্থাপক সুহেদুর রহমান, রেজাউর রহমান, শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর