সিলেট অঞ্চলে হটিকালচারের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে

newsup
  • আপডেট টাইম : November 06 2021, 07:25
  • 507 বার পঠিত
সিলেট অঞ্চলে হটিকালচারের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ সিলেটে আয়োজিত কর্মশালায় বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী‘র মহাপরিচালক আসাদুল্লাহ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী‘র মহাপরিচালক আসাদুল্লাহ বলেন, সিলেট অঞ্চলে ধান চাষের পাশাপশি হটিকালচারের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে দেশের অন্যান্য স্থানে হটিকালচার বেশ এগিয়েছে। মহাপরিচালক আসাদুল্লাহ সিলেটে তার চাকুরীকালীন সময়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, সিলেটে এক সময় প্রচুর অনাবাদী জমি ছিল। এখন ধীরে ধীরে নানা ফসল চাষের আওতায় আসছে। তবে এখনো সিলেটে বহু জমি পতিত। এসব পতিত জমিকে দ্রুত  চাষের আওতায় আনতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি এসব পতিত জমিতে আদা, হলুদ, পিয়াজ, মরিচ চাষ সহ  ফলফলাদির গাছ লাগিয়ে অবস্থার উন্নয়ন করা যায়। তিনি এজন্য কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক সহ সংশ্লিষ্টদের এক যোগে শৃঙ্খলার সাথে কাজ করার আহবান জানান।

বছরব্যাপী ফল উৎপদনের মাধ্যমে পুষ্টির উন্নয়ন প্রকলল্পের আওতায় আয়োজিত দিনব্যাপী এক আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহবান জানান।

আজ শুক্রবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেট আঞ্চলিক কর্মকর্তার কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের আঞ্চলিক কর্মকর্তা দিলীপ কুমার অধিকারী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক মহাম্মদ মাইদুর রহমান।

কর্মশালায় মহাপরিচালক আরও বলেন, দেশ কৃষির দিকে দারুণ উন্নতি লাভ করছে। আর তা সম্ভব হচ্ছে সঠিক নেতৃত্ব, দিক নির্দেশনা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টর মাধ্যমে। অনাবাদি জমিতে চাষ বাড়িয়ে পুষ্টির দিকে নজর দিতে হবে। দেশে এখন দেশীয় ফলের সাথে লাভজনক অনেক বিদেশী জাতের ফলের চাষ হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাজুবাদম, আঙ্গুর, খেজুর, মাল্টা, উন্নত জাতের নারিকেল, আম, কাঠাল সহ নানাজাতের উৎপাদন হচ্ছে। তিনি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের খাওয়া, ফল কেনা,ফলগাছ লাগানোর অভ্যাস বাড়াতে হবে। কর্মশালায় পাওয়ার প্লান্টের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে বছরব্যাপী ফল উৎপদনের মাধ্যমে পুষ্টির উন্নয়ন প্রকল্পগুলো প্রদর্শন করা হয়। উৎপাদিত সবজি মাঠ পর্যায়ে কিভাবে সংরক্ষন করতে হয় তাও দেখানো হয়।

এর আগে একই স্থানে অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় বিষয় ভিত্তিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে সিকৃবির উদ্যান তত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শহীদুল ইসলাম ও প্রকল্প পরিচালক মহাম্মদ মাইদুল ইসলাম দুটি পৃথক কী নোট পেপার উস্থাপন করেন।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর